News update
  • Tarique, Erdogan discuss expanding Bangladesh-Türkiye trade ties     |     
  • PM, UN refugee chief discuss sustainable solution to Rohingya crisis     |     
  • WB ready to support Bangladesh amid external economic shocks: Khosru     |     
  • PM, World Bank President Discuss Bangladesh’s Development     |     
  • Bus Fares Rise by 17 Paisa Per Kilometre     |     

শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল প্রসঙ্গে যা বললেন প্রাথমিকের ডিজি 

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক পরীক্ষা 2026-01-11, 10:02pm

tyerterterter-0591df57d580155edb4df722cfba458b1768147379.jpg




প্রশ্নফাঁসসহ নানা অভিযোগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছেন একদল নিয়োগপ্রত্যাশী। তাদের এ দাবির বিষয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এতে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরীক্ষা বাতিল করা হতে পারে।

রোববার (১১ জানুয়ারি) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, পরীক্ষা শুরুর আগ পর্যন্ত বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে যেসব প্রশ্ন উদ্ধার করা হয়েছিল, সেগুলোর সঙ্গে আমাদের প্রশ্নের কোনো মিল ছিল না। তবে, প্রশ্নফাঁসের চেষ্টা হয়েছে, এটা অস্বীকার করা যাবে না।

ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষায় নকলের চেষ্টা হয়েছে জানিয়ে প্রাথমিকের ডিজি বলেন, তবে এটি প্রশ্নফাঁস না। এই নকলের দায়ে ২০৭ জনকে বহিস্কার করা হয়েছে। অনেক জায়গায় মামলা হয়েছে, অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষা বাতিলের দাবি প্রসঙ্গে শামসুজ্জামান বলেন, চাকরিপ্রার্থীরা আমাদের কাছে পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। আমরা তাদের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে বিষয়টি তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরীক্ষা বাতিল করা হবে। এর আগেও দুটি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল।

আন্দোলনকারীদের দাবিগুলো হলো-

১. সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে দ্রুত পরীক্ষা নিতে হবে। বিজ্ঞাপন

২. সকল চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় নিতে হবে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ডিভাইস চেকার ও নেটওয়ার্ক জ্যামার রাখতে হবে।

৩. স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করতে হবে এবং তার আওতায় সকল পরীক্ষা নিতে হবে। একই দিনে একই সময়ে একাধিক পরীক্ষা নেওয়া যাবে না।

৪. যেসব প্রতিষ্ঠানে বিগত সালে পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের রেকর্ড আছে, তাদের কোনোভাবেই প্রশ্ন প্রণয়ন করার দায়িত্ব দেওয়া যাবে না।

৫. প্রশ্নফাঁস হওয়ার তথ্য প্রমাণিত হলে জড়িত সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং প্রশ্ন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান প্রধানকে স্বেচ্ছায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে হবে।